Top banner ads

শাওমির ব্যাটারি সমস্যার সমাধান। Xiaomi Phone Battery Life Improvement |



( আমাদের ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করার আমন্ত্রন, ক্লিক করুন)


( ভিডিও সরাসরি দেখতে উপরে ক্লিক করুন )

উপরে দেখানো সেটিং করার পর
ফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় : আরও করতে পারেন:
এবং
সে অপশন গুলো ফোনের সেটিং কোথায় আছে পাশে বিস্তারিত আকারে দেখানো হলঃ
(01) Location :বন্ধ করুনঃ   এটি কোথায় আছে(Setting...Additional Setting...Privacy... Location **Off**.)
(02) Sync: বন্ধ করুনঃ   এটি কোথায় আছে ( Setting..Sync **off***)
(03) Auto Brightness : ON করুন   এটি কোথায় আছে( Setting..Display..Brightness **off***)
(04) Use Default Theme & Wallpaper করুন.  এটি কোথায় আছে  ( Setting..wallpaper and Theme)
    default বলতে Theme & Wallpaper এর উপর লিখে আছে (Default )
(05) Delete Duel Apps;  
(06) Apps Update regularly  ( প্লে-স্টোর থেকে)    এটি কোথায় আছে( Play Store.. Apps update.. update)
(07) MIUI Update হলে Again phone Reset করুন.
  এটি কোথায় আছে( Setting ...My Device/ About Phone.. MIUI Version.. Update)

একেবারেই ঠিক/উন্নতি না  হলে, ফোন রি-সেট করুন ,অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন। FB Gruop দেখুন আপনার মডেলের  মত সবার একই সমস্যা কিনা। যদি তাই হয়  নেক্সট আপডেটের অপেক্ষা করুন। যদি আপনার একাই এই সমস্যা হয়, তাহলে ব্যাটারি/ (সার্ভিস) পরিবর্তন করতে হবে।  
<<<>>>>> <<<>>>>

সাধারণ ধারণাঃ

এখানে শাওমি ব্যাটারির ব্যাকআপ ও ফোনের স্পীড বাড়ানোর কৌশল দেখান হল ।

বর্তমানে শাওমি অন্যতম জনপ্রিয় ফোন । খুব শীঘ্র দেশের বাজারের সেরা ফোন হিবাবে চলে আসবে। শাওমির মুল কৌশল হল প্রোডাক্ট এর গুনগত মান যা তাদের অ্যাড না দিয়েই গ্রাহকের কাছে এত জনপ্রিয়তা পৌঁছেছে । তারা অ্যাডে খরছ না করে প্রোডাক্ট এর দাম রাখেন একই কনফিগারের অন্ন ফোনের চেয়ে অনেক কম ।

আসলেই বিষয়টা অনেক মজাদার । কারন আপনি হিসাব করে দেখুন, শাওমির পুরাতন বা যারা প্রোডাক্ট ব্যবহার করছে তারাই মুলত নতুনদের উসসাহিত করেন শাওমি কেনার জন্য ।

এবাবেই চলছে তাদের মার্কেট।


বিস্তারিত/ করার নিয়মঃ

বর্তমান বাজারে যে কয়টি জনপ্রিয় ফোন আছে তার মতে শাওমি অন্যতম জনপ্রিয়।

যারা শাওমি ব্যবহার করেন তাদের ফোনে এমন অনেক কাস্টমাইজড অপশন আছে যা ব্যবহার করলে আপনার ফোনের গতি, কার্যক্ষমতা, আয়ু এবং নিঃসন্দেহে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে পারেন।

তবে অনেকেই জানি না সেই সেটিংস গুলো ।ফোন কেনার পর কিভাবে সেই সেটিংসগুলো করতে হয়।

আজকের টিপস এ আপনারা সেই বিষয়ের উপরে ধারনা পাবেন।

আপনারা যদি ফোন ব্যবহারে এক্সপার্ট না হন তবে আমার এই স্টেপগুলো ফলো করলে সেই সেটিংসগুলো ঠিকভাবে করতে পারবেন।

আমি আপনাদেরকে এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারি যে আপনার ফোনের সব দিক দিয়ে অনেক উন্নতি দেখবেন।


-------------------------------------------------------------

প্রথমতঃ

(সবচেয়ে ভালো বুঝবেন আপনি উপরের লিংকে ভিডিওটি দেখলে)

সেটিংস এ যান

ব্যাটারি এন্ড পারফরম্যান্স সেটিংস এ যান

পাওয়ার অপশন এ এসে ব্যাটারি সেভার অন করে রাখুন।

ঠিক নিচে আরেকটি অপশন অপশন আছে ষাট পার্সেন্ট চার্জ হলে অটোমেটিক ব্যাটারি অপশন অফ হয়ে যাবে সেটি বন্ধ করে রাখুন।

এখানে আর একটি কাজ করুন সেটি চমৎকার কাজ করেঃ

ব্যাটারির পাওয়ার অপশনে এসে , চয়েজ অ্যাপস নামক একটি অপশন আছে। সেটি ক্লিক করে প্রত্যেকটি অ্যাপস ধরলে চারটি অপশন দেখাবে,

একদম নিচের অপশনটি সিলেক্ট করে বেরিয়ে যান (রেস্ট্রাইক্ট ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি)। এভাবে প্রত্যেকটি অ্যাপসের করবেন তারপর দেখবেন। আর পূর্বের সাথে ব্যাটারি ব্যাকআপ পার্থক্য করবেন।
------------------------------------------------------------------------

দ্বিতীয়তঃ

এন্ড্রয়েড ও শাওমির নিজস্ব এম আই ইউ আই এপ্স কাস্টমাইজ সেটিং।
চলুন সেটি কীভাবে করা যায় দেখি নেই ঃ

(সবচেয়ে ভালো বুঝবেন আপনি উপরের লিংকে ভিডিওটি দেখলে)

() প্রথমেই আপনার ফোনের ডেভেলপার অপশন টি অন করতে হবে। ভিডিওতে দেখানো অনুযায়ী এমআইইউআই (MIUI) লেখাতে আট দশ বার প্রেস করলে সেটি অন হয়ে যাবে।

() পরে আপনাকে আসতে হবে- ফোন সেটিং
() -এডিশনাল সেটিং
() -ডেভেলপার অপশনে
() -ডেভেলপার অপশন অন করুন
() -উইন্ডোজ অ্যানিমেশন স্কেলগুলো। অফ করে দিন
() -ইউএসবি ভিবাগিং অন
() -ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস লিমিট স্ট্যান্ডার্ড করে রাখুন
() -এম আই ইউ আই এ অপটিমাইজেশন অন করে দেন।
----------------------------------------------------------

তৃতীয়তঃ

সেটিংস এ আসুন

নোটিফিকেশন অন স্ট্যাটাস বারে আসুন

অ্যাপস নোটিফিকেশন ক্লিক করুন

নোটিফিকেশনটি অফ করে রাখুন।
--------------------------------------------------------


( এখানে লক্ষ্য রাখবেন কিছু অ্যাপস এর নোটিফিকেশন আপনার প্রয়োজন পড়তে পারে সেগুলো অন করে রাখবেন, যেমন সোশ্যাল অ্যাপস গুলো, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ইমো ভাইবার মেসেঞ্জার ইত্যাদি)
খুব জরুরি না হলে এই অপশন গুলো বন্ধ করে রাখুন কারণ ফোনের নোটিফিকেশন অন থাকলে অনেক খরচ হয়।

সবশেষে কিছু প্রয়োজনীয় টিপসঃ
(( প্রত্যেক বার চার্জ দিয়ে ব্যাটারি কমপক্ষে ৮০ থেকে ৯০ ভাগ সম্পন্ন করবেন।

(( বার বার চার্জ এ লাগাবেন না

(( ফোনের চার্জ ২০ পার্সেন্ট এর নিচে আসলে ব্যবহার বন্ধ করে নতুন করে চার্জ দিবেন।

(( চার্জে দিয়ে ফোন ব্যবহার করবেন না।

(( নির্দিষ্ট চার্জার ছাড়া অন্য কোন চার্জার ব্যবহার করবেন না।

(( স্টার্ট দেওয়ার সময় ফোনটি উপুড় করে রাখুন

(( রাতে ঘুমানোর সময় ফোনটি উপর করে রাখুন।

(( মাঝে মাঝে ফোন রিস্টার্ট বাড়ি ভোট দিতে পারেন।

(( ফোনের পারফরম্যান্স ব্যাকআপ কম মনে হলে একবার রিসেট করলে ভাল ফলাফল পাবেন ( ডাটা ব্যাকআপ করে রাখবেন)।
(( এছাড়া চার্জরত অবস্থায় ফোন ব্যবহার করবেন না।

(( রাতে ফোন চার্জ দিয়ে ঘুমাতে যাবেন না। মানে সারারাত চার্জ এ দিয়ে রাখবেন না।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.